‘বড় পর্দায় কাজ করার প্রচুর ইচ্ছে আছে’ – আফরান নিশো

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে জনপ্রিয় অভিনয় শিল্পীদের মধ্যে জনপ্রিয় মুখ আফরান নিশো । নানা চরিত্রে যেমন কখনো রোমান্টিক কখনো বা চোর, নানা চরিত্রে হাস্যভিনয়ের করে ইতোমধ্যেই কোটি ভক্তের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। নাটক নিয়েই সারা বছরই ব্যস্ততা দেখা যায়। বহুমাত্রিক চরিত্রে দেখা যায় তাকে। বর্তমানে ভিন্ন কোন চরিত্র মানেই হচ্ছেন আফরান নিশো। একটি নাটকের গল্পটিকে কিভাবে সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলতে হয় তা আফরান নিশোর অভিনয়ের নিপুণতা দেখলেই বোঝা যায়।

এবার ঈদের কাজ নিয়ে এই অভিনেতা কথা বলেন একটি অনলাইন পোর্টালের সঙ্গে।নানা প্রশ্নের উত্তর দেন তাতে।

ঈদের কি কি কাজ শেষ করেছেন?

জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঈদের বেশ ব্যস্ততা। ঈদের সময় আগে পরিকল্পনা না করার কারণে কাজ অনেক পরে শুরু হয়। পরে দেখা যায় যে অনেক পছন্দের মানুষের কাজ করা যায় না। এরই মধ্যে শেষ করেছি আশফাক নিপুণের ‘লায়লা তুমি কি আমাকে মিস কর?’,  ইমরুল রাফাতের ‘নীরবতা’, হাবিব শাকিলের ‘সিনেমা জীবন’, রূপক বিন রউফ এর ‘রাজা রানী’ ও ‘একটি ক্ষুদ্র পুরাতন গল্প’, সাজ্জাদ সুমনের ‘দ্বৈরথ’ ও ‘ক্লাসলেস মোখলেস’, মেহেদী হাসান জনির ‘সহজ সরল ছেলেটি’, এবং ‘আমার একটা গল্প বলার ছিল’, মিজানুর রহমান আরিয়ানের ‘বুকের বাম পাশে’, সুমন আনোয়ারের ‘কমলার বনবাস’, মোরসালিন শুভর ‘আগুন’, হিমেল আশরাফের ‘লিফট ম্যান’, মোস্তফা কামাল রাজের ‘অনুভাবে’ ও ‘কি জানি কি হয়’। হাতে আরও বেশ কিছু কাজ রয়েছে।

দ্বৈরথ’ নাটকটি প্রসঙ্গে-

মেজবাহ উদ্দিন সুমন রচিত ‘দ্বৈরথ’ নাটকটি পরিচালনা করেছেন সাজ্জাদ সুমন। এতে আমার বিপরীতে দেখা যাবে মেহজাবিন চৌধুরীকে। ঈদে বাড়ি ফেরার একটি গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে নাটকটি।

প্রচার চলতি ধারাবাহিক কী কী?

অনেকগুলো তার মধ্যে রয়েছে হিমেল আশরাফের ‘এক লক্ষ লাইক’, ইমরাউল রাফাতের ‘সিনেম্যাটিক’, সাজ্জাদ সুমনের ‘ছলে বলে কৌশলে’, আরবি প্রিতমের ‘সেমি কর্পোরেট’ শীর্ষক ধারাবাহিক গুলো।

ধারাবাহিকে কাজ করে কতটুকু সন্তুষ্টি পাচ্ছেন?

ধারাবাহিক নাটকের ধারাবাহিকতা থাকে না। এটা একটি প্রধান সমস্যা।

( আরো দেখুনঃ জুনের শেষে আসছে তৌসিফ ও তিশার ভিডিও ফিকশন ‘শেষ কবে…’)

না থাকার কারণ?

আসলে ধারাবাহিক নাটকে আমাদের এখানে যেটা হয় অনেকগুলো প্লট নিয়ে ধারাবাহিক নাটক হয় সেই ক্ষেত্রে দেখা যায় বিভিন্ন প্লটের দিকে গল্প চলে যায় বাজেটের কারণে। দেখা গেছে ডিরেক্টর নাটক বানানোর ছয় মাস পর প্রচার হচ্ছে অথবা অনেক সময় দেখা যায় যে শূটিং করার পর অনএয়ার টাইম পিছিয়ে যায়। প্রথম লট কাজ করার পর সেই ধারাবাহিকতা আর থাকে না। কন্টিনটির মিল থাকে না কমিটমেন্টের জায়গা থেকে। ধারাবাহিক নাটক যদি ঠিকভাবে করে সে ক্ষেত্রে দেখা যায় গল্পের মিল থাকে। এক মাস কাজ হলে আরেক মাসে কাজ হয় না। আবার দুইমাস পর হচ্ছে। এ জন্য ধারাবাহিক নাটকের ধারাবাহিকতা থাকে না।

Leave a Reply